২৪ জুলাই, ২০২৪, বুধবার

১০০তেও খুশি নন, বাবা হতে চান ১০০০ সন্তানের

Advertisement

পৃথিবীতে এমনও মানুষ রয়েছে যার জীবনের প্রধান লক্ষ্য ১০০০ সন্তানের পিতা হওয়া। এখন পর্যন্ত তার সন্তানের সংখ্যা ১৫১ জন কিন্তু তিনি খুশি নন কারণ তার লক্ষ্য পূরণ হয়নি এখনও। জিম্বাবুইয়ের ৬৬ বছর বয়সী মিশেকের বর্তমানে ১৬ জন স্ত্রী আছেন। অদ্ভূত এই মনোবাসনা পূরণ করতে সন্তান জন্ম দিতেই ব্যস্ত তিনি। এ সময়ে তার দুই স্ত্রী গর্ভবতী। এই দুই সন্তান জন্ম নিলে তার ঘরে সন্তানের পরিমান হবে ১৫৩ জন।

৬৬ বছর বয়সী মিশেক বলছেন যতদিন বেঁচে থাকবেন ততদিনই সন্তান জন্ম দিয়ে যাবেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি কোন কাজই করেন না। তার প্রধান কাজ হচ্ছে তার স্ত্রীদের খুশি রাখা। অন্যদিকে তার স্ত্রীরা তাকে খুশি রেখে বাড়ির সব কাজকর্ম ও সন্তান পালন করেন। আসছে শীতে তিনি ১৭ তম বিবাহের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বিয়ের ক্ষেত্রে তার লক্ষ্য ১০০ জনকে বিয়ে করা।

তবে তিনি যাকে তাকে বিয়ে করেন না, তার পছন্দ না হলে কখনোই তিনি বিয়ে করবে না। তার পছন্দ কমবয়সি পাত্রী তার ধরণা কম বয়সীরা বেশি সন্তান জন্মদিতে সক্ষম। মিশেকের পরিবার কৃষিকাজের উপর নির্ভরশীল হওয়াতেই এত বড় পরিবারের সুফল পাচ্ছেন তিনি। তিনি বলেন, দেড় শতাধিক সন্তান এবং ১৬জন স্ত্রীর দেখাশুনা সবই আমিই করি। আমরা কৃষি কাজ করে আমরা বেশ স্বচ্ছল জীবনযাপন করছি। সম্প্রতি এমভুরভি পাহাড়ের কাছে ৯৩ হেক্টর জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মিশেকের ৫০ জন সন্তান এখন লেখাপড়া করছেন। এদের বাইরেও জিম্বাবুয়ে ন্যাশনাল আর্মিতে ৬, ২ জন ছেলে রয়েছে জিম্বাবুয়ের পুলিশে। ১১ জন ছেলে সন্তান রয়েছেন অন্য পেশায় নিযুক্ত। ১৩ কন্যাকে বিবাহও দিয়েছেন, পুত্রদের মধ্যে ২৩ জন বিবাহিত। তার একটি সন্তান এখন পর্যন্ত চারটিও বিয়ে করেছেন।

এতগুলো বিয়ে করার পরও মানসিক চাপমুক্ত জীবনযাপন করছেন মিশেক। কোন কাজ করেন না, তার স্ত্রীরা তার জন্য সবসময় সুস্বাদু খাবার রান্না করে থাকেন। যে স্ত্রীর খারার সবচেয়ে বেশি সুস্বাদু হয় সেটিই তিনি খান। স্ত্রীদের উদ্দেশ্যে মিশেক বলেন, তারা বিধিগুলো জানেন বলেই যে খাবার পছন্দ হয় না, সেটি ফেরত পাঠালেও রাগ করেন না স্ত্রীরা।

সর্বশেষ ২০১৫ সালে বিয়ে করেছিলেন মিশেক। তবে মাঝে জিম্বাবুয়ের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় সংক্ষিপ্ত বিরতি নেন তিনি। তবে ২০২১ সালে আবারও নতুন করে বিবাহবন্ধনে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন তিনি।

Advertisement

আরও পড়ুন

Advertisementspot_img
Advertisement

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে পাশে থাকুন

Advertisement