১৬ এপ্রিল, ২০২৪, মঙ্গলবার

আবারও গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর হামলা

Advertisement

আবারও গাজায় হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) গভীর রাতে ইসরাইলি বাহিনী অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনিদের ওপর বিমান হামলা চালায়। আল-জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।  

এর আগে গত বুধবার (১৬ জুন) গাজায় হামলা চালায় ইসরাইল। কট্টরপন্থী নাফতালি বেনেট প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটিই ছিল ফিলিস্তিনিদের ওপর প্রথম সামরিক আগ্রাসন।

ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) দাবি, ফিলিস্তিনিদের ছোড়া বেলুনে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের আটটি স্থানে আগুন ধরে যায়। এর জবাবে ওই হামলা চালানো হয়। 

আরও জানা যায়, বেলুন ছোড়ার অজুহাতে ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে আরেকবার ফিলিস্তিনে হামলা চালাল আইডিএফ। এএফপির খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার পর্যন্ত গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। 

ইসরাইলের দাবি, গাজায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা আন্দোলনের সশস্ত্র সংগঠন হামাসের স্থাপনা লক্ষ্য করে ওই বিমান হামলা চালানো হয়েছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী বলেছে, গাজার দক্ষিণে খান ইউনিস এবং গাজা শহরে এসব হামলা চালানো হয়। তবে হতাহতের কোনো নিশ্চিত খবর জানা যায়নি।

ইসরাইলি সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যেকোনো পরিস্থিতির জন্য বাহিনীকে প্রস্তুত থাকার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন সেনাপ্রধান আভিভ কোহাভি। হামাসের স্থাপনা লক্ষ্য করে আইডিএফ হামলা চালিয়ে যাবে। এ ছাড়া গাজা উপত্যকায় যা ঘটছে তার জন্য হামাসকে দায়ী করেছে ইসরাইলের সেনাবাহিনী।

এদিকে ইসরাইলের হামলা পর হামাসের সদস্যরা প্রকাশ্যে মেশিনগান থেকে গুলি ছুড়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইসরাইলের বাহিনী সতর্ক সংকেত হিসেবে সাইরেন বাজিয়েছে।

এক বিবৃতিতে হামাস বলেছে, ‘জনগণ ও পবিত্রভূমি রক্ষায় তাদের যোদ্ধারা সজাগ রয়েছেন।’

ইসরাইলের দমকল বাহিনী জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত গত তিন দিন ফিলিস্তিন থেকে আগ্নেয় বেলুন ছোড়া হয়েছে। এসব বেলুন থেকে ইসরাইলের বিভিন্ন খামারে এবং জঙ্গলে আগুন লেগেছে। এসব নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে বাহিনী।

এর আগে গত মাসে ইসরাইল ১১ দিন ধরে গাজায় সামরিক আগ্রাসন চালায়। গত ২১ মে এই আগ্রাসন থামে। ওই আগ্রাসনে শিশুসহ কমপক্ষে ২৬০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। আর ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধ যুদ্ধে নিহত হন ১৩ ইসরাইলি।

Advertisement

আরও পড়ুন

Advertisementspot_img
Advertisement

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে পাশে থাকুন

Advertisement