১৯ মে, ২০২৪, রবিবার

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন

Advertisement

বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, নিউইয়র্ক আজ ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং যথাযথ মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করেছে। অনুষ্ঠানের শুরুতে ভারপ্রাপ্ত কনসাল জেনারেল এস এম নাজমুল হাসানসহ কনস্যুলেটের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী সমস্বরে জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ই আগস্টের সকল শহিদ, ৭১-এর সকল শহিদ, শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা, জাতীয় চার নেতা ও শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন এবং সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে শপথ বাক্য পাঠ করা হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ থেকে প্রেরিত মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধের উপর নির্মিত একটি প্রামান্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

ভারপ্রাপ্ত কনসাল জেনারেল তাঁর বক্তব্যের শুরুতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সকল শহিদ সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে জাতির পিতার সর্বোচ্চ ত্যাগ ও অসামান্য অবদান উল্লেখ করে  তিনি বলেন, এ বছর জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী ও ৫০তম বিজয় দিবসের সম্মিলন বাঙালী জাতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যময়।

তিনি বলেন, জাতির পিতা একটি সুখী, সমৃদ্ধ, শোষণমুক্ত ও বৈষম্যহীন ‘সোনার বাংলা’ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন যা বাস্তবায়নে তাঁরই সুযোগ্যা কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে অদম্যগতিতে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ। এজন্য তিনি সকলকে যার যার অবস্থানে থেকে একযোগে কাজ করার আহবান জানান। তিনি নতুন প্রজন্মের মাঝে জাতির পিতার স্বপ্ন, আদর্শ এবং স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ, সচেষ্ট ও সক্রিয় থাকার আহবান জানান। 

অনুষ্ঠানে নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটর জন ল্যু, জর্জিয়া স্টেট সিনেটর শেখ রহমান, এসেম্বলীওম্যান ক্যাটালিনা ক্রজ, ভারতের কনসাল জেনারেল রনধীর জসওয়াল, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ বুদ্ধিজীবীর সন্তান, সাংবাদিক, রাজনীতিক, সাংস্কৃতিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন। এছাড়াও, নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কমিউনিটির শিল্পীরা মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা করেন। অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের ফেইসবুকে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সকল শহিদ সদস্য, ৭১-এর সকল শহিদ, শহিদ বুদ্ধিজীবী এবং শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এবং দেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

নিউইয়র্কে করোনা ভাইরাসজনিত মহামারীর কারণে স্বাগতিক দেশের বিধি-বিধান প্রতিপালন করে কনস্যুলেটে এই দিবসটি পালন করা হয়।

Advertisement

আরও পড়ুন

Advertisementspot_img
Advertisement

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে পাশে থাকুন

Advertisement