২২ জুন, ২০২৪, শনিবার

নিয়াজ মাহমুদের বাজে প্রস্তাবে রাজি হয়নি আমার বোন: জাহিদুল

Advertisement

সন্তানকে গুলি করা শেখাচ্ছিন একজন বাবা, এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এই ভিডিওটি নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একজন বাবা তার দুই সন্তানকে গুলি চালানো শেখাচ্ছেন। সন্তানদের গুলি চালানো শেখানো ওই বাবা হচ্ছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল জাহিদুল ইসলাম জুয়েল।

তিনি গণমাধ্যমে বলেছিলেন, ভিডিওটি ২০১৬ সালের দিকে করা। তিনি তখন ছিলেন খুলনার কায়রায় ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে। সুন্দরবন এলাকায় একদিন সন্তানদের বেড়াতে নিয়ে গিয়েছিলেন। তখন তিনি তাদের হাতে পিস্তল দিয়ে শুট করিয়েছিলেন।

ভিডিও লিংক : https://www.facebook.com/100044295864044/videos/1187749275046251/

জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, সেই সময় যেহেতু আমার কাছে পিস্তল ছিলো, সেটা দিয়ে কয়েক রাউণ্ড গুলি করেছিলো আমার সন্তানরা। সহজ সরল ভাবনা থেকেই গাছকে টার্গেট করে সন্তানদের গুলি চালানো শিখিয়েছিলাম। কোন খারাপ উদ্দেশ্যে এটা তখন করিনি। ওই ভিডিও আমার ফেসবুকে দেওয়া হয়েছিলো।

জাহিদুল ইসলাম বলেন, ওই ভিডিও আমেরিকায় থাকা নিয়াজ মাহমুদ নামে একজন এতদিন পর নেতিবাচক উদ্দেশ্যে আমার ফেসবুক থেকে ডাউনলোড করে বিভিন্ন ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছে। এই নিয়াজ মাহমুদ আমেরিকায় থাকেন, সংবাদিক রাষ্ট্র নিয়ে প্রতিনিয়ত বাজে মন্তব্য লিখেন।

নিয়াজ মাহমুদ আমার বড় বোনকে ফেসবুকে প্রেমের প্রস্তাব দেন। তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ২০১৬ সালের ভিডিও নিয়ে নেগেটিভ ভাবে পোস্ট করেছে। উনি আমাদের পরিবারকে নেগেটিভ ভাবে উপস্থাপন করেছে।

আইনের ব্যাখা দিয়ে জাহিদুল ইসলাম বলেন, ২০১৬ সালের শেষ দিকে অস্ত্রের বিধিমালা হয়েছিলো। যখন এটা করা হয় তখন কোন বিধিনিষেধ ছিলো না। এটি আমার ব্যাক্তিগত লাইসেন্স করা পিস্তল। ঘটনার সময় আইনে এতো কড়াকড়ি ছিলো। এখন যেমন গুলি ব্যবহার করলে থানায় জিডি হয়, তদন্ত হয়, তখন এসব ছিলো না।

তিনি আরও বলেন, তখন তো বন্ধুবান্ধব আমরা এমনি ফায়ার করতাম। একটা গাছ টার্গেট করে ফায়ার করতাম। দেখা একটু শিখা, আমার যেহেতু অস্ত্র ছিল, আমার স্ত্রী ও আমার ছেলে মেয়েরা একটু শিখতো।

তিনি বলেন, শুটিং একটা খেলা। তাদের শেখাচ্ছিলাম। সেদিন ভিডিও করে ফেসবুকে দিয়েছি। নিজের ফেসবুকে দেয়া মানে তো সারা দুনিয়ার জন্যে, এটা তো খারাপ উদ্দেশ্যে দেয়া না। পাঁচ বছর ধরে ভিডিওটা নিয়ে কেউ কিছু বলেনি কিন্তু রেসারেসির কারণে উনি (নিয়াজ মাহমুদ) খারাপ ভাবে উপস্থাপন করেছে । উনি আমার ক্ষতি করার চেষ্টা করছে।

ফেসবুকে ভিডিওটি নিয়ে নানা কথা হওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সিনিয়র সহকারি জজ জাহিদুল ইসলাম জুয়েল বলছেন, ভিডিওটি আমার টাইমলাইনে পাঁচ বছর আগে সহজ সরল ভাবনায় পোস্ট করেছিলাম। তারপরও যেহেতু কথা হচ্ছে, আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।

Advertisement

আরও পড়ুন

Advertisementspot_img
Advertisement

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে পাশে থাকুন

Advertisement