১৬ এপ্রিল, ২০২৪, মঙ্গলবার

করোনায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু, শনাক্ত ১০ লাখ পার

Advertisement

দেশে করোনাভাইরাসে গত এক দিনে আরও ২২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। এর আগে গত ১১ জুলাই এক দিনে সর্বোচ্চ ২৩০ জনের মৃত্যুর তথ্য জানানো হয়।

এদিকে গত এক দিনে করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ১২ হাজার ২৩৬ জন। এতে শনাক্তের সংখ্যা ১০ লাখ পার হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ হাজার ৯৪১টি নমুনা পরীক্ষায় ১২ হাজার ২৩৬ জন শনাক্ত হন, যাতে শনাক্তের হার ২৭.২৩ শতাংশ। এ নিয়ে মোট শনাক্ত ১০ লাখ ৭১ হাজার ৭৭৪ জন। মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৫.০০ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানায়, গত এক দিনে যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে ১৪০ জন পুরুষ এবং ৮৬ জন নারী। এ পর্যন্ত পুরুষ মারা গেছেন ১২ হাজার ৫৩ জন ও নারী ৫ হাজার ২২৫ জন।

নতুন মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৭৪ জন, চট্টগ্রামে ৪২ জন, রাজশাহীতে ২৪ জন, খুলনায় ৫২ জন, বরিশালে ৬ জন, সিলেটে ৫ জন, রংপুরে ১৩ জন এবং ময়মনসিংহে ১০ জন মারা গেছেন।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ১২১ জনের বয়স ৬০ বছরের বেশি। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের ৪৯ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ৩৬ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের ১২ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের ৬ জন, ১১ থেকে ২০ একজন ও শূন্য থেকে ১০ বছর বয়সী একজন রয়েছেন। এ নিয়ে দেশে মোট মৃত্যু ১৭ হাজার ২৭৮ জনের।

২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৮ হাজার ৩৯৫ জন এবং এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৯ লাখ ৫ হাজার ৮০৭ জন।

দেশে গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর খবর আসে। কয়েক মাস সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার ঊর্ধ্বগতিতে থাকার পর অনেকটা নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। চলতি বছরের শুরুতে করোনাভাইরাসের প্রকোপ অনেকটা নিয়ন্ত্রণে ছিল। তখন শনাক্তের হারও ৫ শতাংশের নিচে নেমেছিল। তবে গত মার্চ মাস থেকে মৃত্যু ও শনাক্ত আবার বাড়তে থাকে। জুলাই মাসে দৈনিক শনাক্তের হার ৩০ শতাংশের উপরে আছে। মোট গড় হার ১৪ শতাংশের উপরে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী, কোনো দেশে টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে ধরা যায়। সে হিসেবে বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেই বলা যায়।

Advertisement

আরও পড়ুন

Advertisementspot_img
Advertisement

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে পাশে থাকুন

Advertisement